প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ডিজিটাল বদলি ব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ রোববার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৯ আসনের সরকারি সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে বিষয়টির গুরুত্ব স্বীকার করেন মন্ত্রী। তিনি সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে বিষয়টি উত্থাপন করার জন্য ধন্যবাদও জানান।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিজ এলাকার বাইরে বদলির সুযোগ ছিল না। পরবর্তীতে, আগের সরকার বদলির জন্য একটি কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থা চালু করে। এখন এই ব্যবস্থার অধীনে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনার ভিত্তিতে শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি জানান, সাভার বৃহত্তর ঢাকার অংশ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার অনেক শিক্ষক সেখানে বদলি হওয়ার জন্য আবেদন করেন। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ডিজিটাল ব্যবস্থার মধ্যে কিছু সংরক্ষণ বা কোটাভিত্তিক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকার বর্তমানে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। কম্পিউটার প্রোগ্রামে কীভাবে পরিবর্তন আনা যায়, তা নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, যাতে কোনো এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের বড় একটি অংশ সেই এলাকারই বাসিন্দা হন, পাশাপাশি বাইরে থেকেও সীমিতসংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ থাকে।
মন্ত্রী সংসদকে বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা করছি কীভাবে বণ্টন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা যায়, যাতে অধিকাংশ শিক্ষক সংশ্লিষ্ট এলাকার হন, তবে বাইরে থেকেও একটি ছোট অংশ রাখা যায়।’
প্রশ্নোত্তর পর্বে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাধারণত নিজেদের স্থানীয় এলাকায় কাজ করা উচিত। বিশেষ করে কোনো পদ খালি হলে, যেমন কোনো শিক্ষক অবসর নেওয়ার কারণে পদ শূন্য হলে, সেই এলাকায় বাস করা, নিয়োগের সময় স্থানীয় ঠিকানা থাকা এবং সেখানে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকা শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।BSS