কাওছার হামিদ, কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী): নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উপেক্ষা করছেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কার্যালয়ের কর্মচারীরা। রমজান মাসে নতুন সময়সূচী অনুযায়ী সকাল ৯ টার মধ্য অফিসে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তারা নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। রোববার সকাল ৯টায় ওই কার্যালয়ের সামনে অবস্থানকালে দেখা গেছে এই চিত্র এবং প্রায় সাড়ে নয়টা পর্যন্ত অফিসে তালা ঝুলছে। এসময় সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে ক্লিনিক্যাল সাইটের পরিবার পরিকল্পনা অফিস সহকারী রবিউল ইসলাম ওই কার্যালয়ের উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারী মাসুমকে ফোন দিলে তিনি ভ্যান চালক আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ব্যাক্তিকে অফিসের তালা খুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। পরে ওই কার্যালয়ে প্রবেশ করে কাউকে পাওয়া যায়নি। জানা গেছে,ওই কার্যালয়ে ১জন পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ৩ জন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা সহকারি ও ১ জন অফিস সহকারী কর্মরতা রয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুধু আজকে নয়,পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের এমন দৃশ্য নিত্য দিনের ব্যাপার। সরকার নির্ধারিত সময়ে (সকাল ৯টা) উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই তার দফতরে উপস্থিত হন। অথচ এখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসেন খেয়াল-খুশি মত। তাদেরকে যথাসময়ে না পাওয়ায় সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। অবিলম্বে এ ধরনের সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগিরা। এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জগন্নাথ রায় বলেন, আমি জেলার পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। সেখানে সপ্তাহে ২দিন দায়িত্ব পালন করি। সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।