কাওছার হামিদ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) প্রতিনিধি\ পুলিশের ভুল তথ্যের কারনে গ্রেফতার হয়ে গরু ব্যবসায়ী ইউসুব আলীর ছেলে বাদশা মিয়া ১৩দিন ধরে রংপুর জেলে হাজতবাস করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
মামলা এজাহার সুত্রে জানাগেছে বাদীনি মোছাঃ শাহনাজ পারভীন ,পিতা মোঃ শাহাব উদ্দিন, সাং পলাশবাড়ী, উপজেলাঃ তারাগঞ্জ, জেলাঃ রংপুর বাদী হয়ে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত রংপুরে একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার আসামী ইউসুব আলীর ছেলে বাদশা মিয়া (২৭) বকস আলীর ছেলে ইউসুব আলী (৫৫) ইউসুব আলীর স্ত্রী সালেহা (৪২) সর্ব সাং গ্রাম মাগুড়া দোলাপাড়া, উপজেলার কিশোরগঞ্জ জেলা নীলফামারী নামে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামীকে গ্রেফতার করার জন্য ভুল তথ্যের ভিত্তিতে এসআই জগদীস চন্দ্রের নেতৃত্বে একদল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে একই ইউনিয়নের মাগুড়া আদর্শ পাড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ইউসুব আলীর ছেলে বাদশা মিয়াকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসেন এবং পরদিন নীলফামারী কোর্টের মাধ্যমে রংপুর জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
কিন্তু মামলার এজাহারে দেখা গেলো ভিন্ন চিত্র, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে আসলে সেই ব্যক্তি ওই মামলার আসামী নন এবং ভুল ঠিকানায় গিয়ে আসামী গ্রেফতার করে নিয়ে আসেন পুলিশ। প্রকৃত আসামীর বাড়ী মাগুড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামে তাকে গ্রেফতার না করে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে মাগুড়া আদর্শপাড়া গ্রামের গিয়ে আসামী বাদশা মিয়াকে গ্রেফতার করেন।
বাদশা মিয়ার বাবা ইউসুব আলী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন আমার নিরাপরাধ ছেলেকে ভুল তথ্যের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে একই কথা বল্লেন তার মা আলেজা বেগম ভুল তথ্যের মাধ্যমে ১২ দিন ধরে হাজতবাস করছে আমার ছেলে আমি এর নেয় বিচার চাই এবং এই গ্রেফতারের সাথে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিচারের দাবী জানান।
মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান মিঠু বলেন এটি পুলিশের অন্যায় হয়েছে ,আসামীর বাড়ি কোন এলাকায় পুলিশ আসামী গ্রেফতারের আগে তারা কর্নফার্ম হওয়া উচিত ছিল। আমি চেয়ারম্যান হিসেবে এর নেয় বিচার প্রার্থনা করছি।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিস ইনচার্জ লুৎফর রহমান এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আসামীর নাম ও পিতার নাম একই হওয়ার কারনে ঘটনাটি ঘটেছে বলে বিষয়টি স্বীকার করেন।