কাওছার হামিদ, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ উভয়পক্ষের আহত-৬।
ঘটনাটি ঘটেছে (১৮মার্চ২০২৫) মঙ্গলবার দুপুরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামে।
সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে ১৭ মার্চ রাত আনুমানিক ৭টায় দোলাপাড়া গ্রামের বাচান আলীর ছেলে লাভলু মিয়া রাস্তা দিয়ে বাড়ি আসার সময় একই গ্রামের সাবেক গ্রাম পুলিশ মহুবার রহমানের ছেলে হকদুল ইসলাম অকট্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এক পর্যায় উভয়ের মাধ্যে মারামারি লেগে পরে স্থানীয় লোকজন উভয়কে থামিয়ে দিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে পাটিয়ে দেয়।
ওই দিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একইস্থানে (১৮ মার্চ ২০২৫) বুধবার একই এলাকার মৃত আনোয়ারুল কাদের এর ছেলে প্রবাসী সাদেকুল ইসলাম (কল্লোল) মিয়ার সাথে হকদুল হকের আবারও বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষবাদে সংঘর্ষের এক পর্যায় ইটপাটকেল লাটিসোটা নিয়ে দুপক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৬জন আহত হন। আহতরা হলেন প্রবাসী সাদেকুল ইসলাম (কল্লোল), বাদল মিয়া ও তার বোন পারভীন বেগম। আহতদের কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অপর পক্ষের সাবেক গ্রাম পুলিশ মহুবার রহমানের ছেলে হকদুল হক, তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী জামেনা বেগম ও কপিল উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া আহত হন। আহতদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হকদুল হকের ভাবী বলেন আমার দেবর একজন ছাত্র তাকে কল্লোল গংয়ের লোকেরা এসে হামলা চালিয়ে মাথা ফেটে দেন এবং লাল মিয়া ও জামেনা বেগমকে বেধরক মারপিট করেন।
প্রতিপক্ষের সুরুজ মিয়া জানান আমরা দু ভাই প্রবাসী আমারা বাহিরে থাকি মাঝে মধ্যে দেশে আসি হকদুল হক আমাকে কিছুদিন আগে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল-হাজত খাটিয়েছেন জামিনে বের হয়ে আসার পর আবারও হকদুল গংয়ের লোকজন আমার বড় ভাই সাদেকুল ইসলাম (কল্লোল) রাস্তায় আটক করে কিলঘুষি মারতে থাকলে আমরা খবর পেয়ে আমার বড়ভাই বাদল মিয়া বড় বোন পারভীন বেগম এগিয়ে গেলে তাদেরকে বেধরক মারপিট করে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্থানীয় থানায় কোন মামলা দায়ের হয়নি তবে এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে থমথম উত্তেজনা বিরাজ করছে,সেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘাতের রুপ নিতে পারে।