কাওছার হামিদ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)\ ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে সালাম,বরকত,রফিক,সফিক. জব্বারসহ নাম না জানা অনেক শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা মায়ের ভাষায় কথা বলতে শেখেছি। তারেই প্রতীক হিসেবে স্মৃতিসৌধ বা শহীদ মিনারকে আমরা সম্মান করি। সরকারি ঘোষণা অনুয়ায়ী শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারী) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সকল সরকারি আধা সরকার,বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনির্মিত থাকবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধার সহিত পুস্পমাল্য অর্পন করার কথা থাকলেও নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সয়ড়াগন্ধা দোলা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে ভিন্নচিত্র পুস্পমাল্য অর্পনতো দুরের কথা ফুলের পরিবর্তে শহীদ মিনারে শোভা পাচ্ছে তামাক শুনানোর চিত্র। প্রভাতফেরী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এমনকি শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক পর্যন্ত অর্পন করেননি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান এর সাথে সাক্ষাতে কথা হলে শহীদ মিনারে ফুলের পরিবর্তে তামাক শুকানো কেন হচ্ছে তাঁর কোন সঠিক উত্তর দেননি। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উৎযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করা হয় এবং তাঁর হটঅ্যাপস্ নাম্বারে বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের ছবি পাঠানো হয়। মহান শহীদ দিবসে শহীদ মিনারকে অবমাননা করা মানে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করার শামিল বলে মনে করেন সচেতন মহল। ভাষা শহীদ দিবসে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান এর শাস্তির দাবী জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল।