আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর সংসদীয় চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ২৭ জন প্রার্থী। তফসিল অনুযায়ী ২১ জানুয়ারী সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা রির্টানীং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান প্রার্থীদের অনুকুলে প্রতিক বরাদ্দের পত্র প্রদান করেন। চারটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ২৩ জন ও স্বতন্ত্র ৪ জন প্রার্থী ভোট প্রচারনায় মাঠে নেমেছেন। নীলফামারী ১ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী নেই। এখানে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের জোটের প্রার্থী। এ আসনে জামায়াত জোটের দশ দলের শরিক খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ছিলেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় এখানে দশ দলীয় জোটের প্রার্থী জামায়াতের জেলা আমীর আব্দুস সাত্তার। অপর দিকে নীলফামারী ৪ আসনে জামায়ত জোটের ১০ দলের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এর প্রার্থী নুর মোহাম্মদও জামায়াতকে সমর্থক দিয়ে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। নীলফামারী-১, ডোমার উপজেলায় ১০ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং ডিমলা উপজেলার ১০ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসনে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন বিএনপি জোটের শরীক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশে মাওলানা মো. মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি (খেজুরগাছ), জামায়াতের মাওলানা আব্দুস সাত্তার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পাটির মেজর (অব.)তছলিম উদ্দিন (লাঙ্গল) "বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্ট (বিএনএফ) সিরাজুল ইসলাম (টেলিফোন), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল জলিল (হাতপাখা), বাসদ (মাকর্সবাদী) মো. রফিকুল ইসলাম(কাঁচি), জেপির মো. মখদুম আজম মাশরাফী (বাইসাইকেল) ও ন্যাপের জেবেল রহমান গানি (গাভী)। নীলফামারী-২, জেলা সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে নীলফামারী-২ আসন গঠিত। এই আসনে ৬ জন প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীরা হলেন বিএনপির শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন (ধানের শীষ), জামায়াতের আল ফারুক আব্দুল লতীফ (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাসিবুল ইসলাম (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের সারোয়ারুল আলম বাবু (দেয়ালঘড়ি) বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্রন্ট"বিএনএফের সিরাজুল ইসলাম (টেলিফোন) ও স্বতন্ত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ (ফুটবল)। নীলফামারী ৩, জলঢাকা উপজেলার ১১ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নীলফামারী-৩ আসন। এই আসনে ৪ জন প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীরা হলেন বিএনপির সৈয়দ আলী (ধানের শীষ), জামায়াতের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী (দাঁড়িপাল্লা),জাতীয় পার্টির রোহান চৌধুরী (লাঙ্গল) ও ইসলামী আন্দোলনের আমজাদ হোসেন সরকার ( হাতপাখা) । নীলফামারী-৪, সৈয়দপুর উপজেলার ৫ ইউনিয়ন, একটি পৌরসভা,একটি ক্যান্ট বোর্ড ও কিশোরীগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নীলফামারী-৪ আসন। এ আসনে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মো. আব্দুল গফুর সরকার (ধানের শীষ), জামায়াতের আব্দুল মুনতাকিম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা) জাতীয় পার্টির মো. সিদ্দিকুল আলম (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মির্জা মো. শওকত আকবর রওশন (কাঠাল), বাসদ মার্কসবাদীর মাইদুল ইসলাম (কাচি), স্বতন্ত্র তিন প্রার্থীদের মধ্যে রিয়াদ আরফান সরকার (ফুটবল) এস,এম,মামুনুর রশিদ (মোটরসাইকেল) ও জোয়াদুর রহমান হীরা (ঘোড়া)। এদিকে প্রতিক বরাদ্দ শেষে জেলা রির্টানীং কর্মকর্তা সকল প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিপূণভাবে অনুষ্ঠিত হয় তার জন্য সহযোগীতা কামনা করেন।