কাওছার হামিদ
কিশোরগঞ্জ,নীলফামারী;
কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া শাহ পাড়ায় এক দুধর্ষ চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরেরা বিল্ডিং বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে সেখানে থাকা পানি সেচ দেওয়ার মর্টার,আইপিএস এর ইঞ্জিন চুরি করে নিয়ে যায় যার, আনুমানিক মুল্য প্রায় ৯০ হাজার টাকা। ঘটনাটি ঘটেছে ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং দিবাগত রাতে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের মাগুড়া শাহ পাড়া গ্রামে। অভিযোগ ও বাড়ির কেয়ার টেকার আমির আলী সূত্রে জানাযায় ওই গ্রামের মৃত শরিফ উদ্দিনের ছেলে আলহাজ্ব আব্দুল মালেক শাহ চাকুরীর সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় থাকেন। তাঁর গ্রামের বাড়িতে কেয়ারটেকার হিসেবে আমি কর্মরত আছি সেই সুবাদে তাঁর যাবতীয় স্থাবর অস্থাবর সম্পতি দেখভাল করি। চুরির ঘটনার আগে আব্দুল মালেক শাহের বাড়ির দেয়ালে মর্টারের মাধ্যমে পানি সেচ দিতে থাকি পানি সেচ দেওয়া কালিন উক্ত পানি গড়িয়ে পাশ্ববর্তী ওয়াজেদ আলীর ছেলে লেলিন হোসেন (২২), আল আমিন হোসেন ((২৯) তাদেও বাড়িতে যাওয়ায় তারা দুইভাই মিলে আমাকে (বাড়ীর কেয়ারটেকারকে) অকট্ট ভাষায় গালিগালাজ সহ নানা ধরনের হুমকী প্রদান করেন। বাড়ির কেয়ারটেকার আমির আলী জানান ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং দিবাগত রাত ১০টার দিকে প্রতিদিনের নেয় উক্ত বাড়ি দেখভাল করে নিজ বাড়িতে ঘুমাতে যাই। পরদিন সকাল ৬ ঘটিকায় ঘুম থেকে উঠে আলহাজ্ব আব্দুল মালেক শাহের বাড়ির বিল্ডিংয়ের ওয়ালে পানি দেওয়ার জন্য বাড়ির দরজার তালা খুলিয়া ভিতরে প্রবেশ করি দেখতে পাই নি¤œবর্ণিত মর্টার ও আইপিএস এর ইঞ্জিন যথা স্থানে নেই। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে ডাকিয়া দেখাই। তিনি আরো জানান যেহেতু মর্টারের পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের সাথে আমার বাকবিতন্ডা হয়েছে এমনকি তারা আমাকে হুমকীও দিয়েছে আমার সন্দেহ হয় উক্ত চুরির ঘটনা আমার প্রতি প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য তারাই ঘটিয়েছে। পরবর্তীতে আমি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাড়ির মালিক আব্দুল মালেক শাহকে অবগত করি এবং কিশোরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করি। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।