Thursday, 29 January 2026, 05:22 PM

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে লোকসানের মুখে আলু চাষীরা




কাওছার হামিদ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী):


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হলেও দাম না থাকায় আলু চাষীরা লোকসানের মুখে পড়েছে। বর্তমানে স্থানীয় ভাবে খুচরা বাজার গুলোতে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১১ থেকে ১২ টাকা কেজি দরে। 


ক্ষেতে চাষিরা পাইকারী বাজারে আলু বিক্রি করছেন ৮ থেকে ৯ টাকা দরে  ফলে আলু চাষীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

 

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গত বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার লক্ষ্যমাত্রা একটু বেশি ছিল কিন্তু খরচ একটু কম হয়েছে কৃষকদের। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৬ হাজার ৬শত ৬০ হেক্টর জমিতে আলু চায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।


কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের দক্ষিন বড়ভিটা গ্রামের আলু চাষি রউফুল আলম বলেন সরকারের উচিত যেসব দেশে আলু চাষাবাদ হয়না সেইসব দেশ গুলোতে আলু রপ্তানী করার ব্যবস্থা করা হলে এতে দেশের একদিকে যেমন কৃষকরা তাদের আলুর ন্যায্য মুল্য পেত, অপরদিকে দেশের বৈদেশিক আয় হত। 


গেলো শুক্রবার সরেজমিনে মাগুড়া ইউনিয়নের তালপাড়া  গ্রামের আলু চাষি মাহফুজার রহমান বলেন ৩৩ শতক জমিতে আলু চাষ করতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বর্তমান আলুর যে, বাজার লোকসান ছাড়া কোন ভাবেই লাভ হবে না।  তিনি বলেন আমার ৩৩ শতক জমিতে ৩২০০শ কেজি আলু ফলন হয়েছে কিন্তু আলুর বাজার কম হওয়ার কারনে লোকসান গুনতে হচ্ছে।


কিশোরগঞ্জ বাজারের এক আলু ব্যবসায়ী জানান, গত বছর আলুর দাম বেশি হওয়ায় সরকার বাজার নিয়ন্ত্রনের নামে কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য করেছিল। কিন্তু এবার কৃষকরা আলু নিয়ে বিপাকে পড়লেও কারো কোন নজরদারী নেই।


 উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লোকমান আলম বলেন, গত এক সপ্তাহের তুলনায় আজকে আলুর বাজার কিছুটা বেড়েছে আগামী সপ্তাহে আলুর দাম আরো বাড়তে পারে, কারন হিমাগার গুলোতে আলু বুকিং শুরু হলে আলুর বাজার এরকম থাকবে না,তিনি আরো বলেন গত বছরেও এই অবস্থা ছিল পরে কৃষকরা ভালো দাম পেয়েছে। 

// Disable right-click context menu // Disable text selection // Disable dragging of images and text // Disable copy events // Disable common keyboard shortcuts for copying // Check for Ctrl/Command key combinations with C, X, S, or P