অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য ভুলভাবে প্রচার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, আওয়ামী লীগের ‘কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা’ তুলে নেওয়ার কথা বলেননি প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস।
তারা জানায়, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ অবস্থায় দলটি নির্বাচন করতে পারবে না। তার ভাষায়, ‘অন্যথায়, আমরা নির্বাচন করতে পারবো না।’
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত ছিল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের ফাঁকে জিটিওকে সাক্ষাৎকার দেন ড. ইউনূস।
সাংবাদিক মেহদি হাসানের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় তারা কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। তারা একটি দল হিসেবে বৈধ। কিন্তু তাদের কার্যক্রম কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। যেকোনো সময় তাদের কার্যক্রম সচল করা হতে পারে।
jugN