কাওছার হামিদ, কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)ঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-০৪(সৈযদপুর-কিশোরগঞ্জ)সংসদীয় আসনে গণফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী আবির হোসেনের মনোনয়নপত্র জমাদান সামান্য বিলম্ব হওয়ায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই মনোনীত প্রার্থী। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলাস্থ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশ কার্যালয়ে গণফ্রন্ট প্রার্থী আবির হোসেনের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ তুলে ধরে বলেন আমাকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ ) সংসদীয় আসন থেকে গণফ্রন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনারের বেঁধে দেওয়া তারিখে আমি মনোনয়নপত্র দাখিলের যাবতীয় কাগজপত্রাদি ফটোকপি করতে গেলে বিদ্যুৎ না থাকার কারণে জমাদানের নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট পরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে তিনি গ্রহণ করেননি। তিনি আরো বলেন অথচ বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন নিয়ম বহির্ভূতভাবে মনোনয়নপত্রের ফটোকপি জমা দিলেও তা গ্রহণ করা হয়েছে, যা পক্ষপাতিত্ত ও স্পষ্ট বৈষম্যের উদাহরণ। বর্তমান বাংলাদেশে বৈষম্যের কোনো সুযোগ থাকার কথা নয়। সেখানে বিএনপির প্রার্থী ফটোকপি জমা দিয়ে প্রার্থী হতে পারলেও আমাদের সামান্য দেরি কোনোভাবেই বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত সিদ্ধান্ত কামনা করছি। তা না হলে নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া বলেন গণফ্রন্টের প্রার্থী গতকাল আমার অফিসে এসেছিল। এখানে এসে তিনি ১দিন পর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। তবে সময়ের বাহিরে কারো মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার সুযোগ নেই। তাছাড়া তিনি সব কাগজপত্র দিতে পারেননি। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল রিসিভ না করায় কোন মন্তব্য জানা যায়নি